Screenshot_3

সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলেন আপনার স্মার্টফোনে চার্য খুব-ই সীমিত। অফিসে বা কলেজে যাবেন কিন্তু মোবাইল চার্য নেই। হাতে সময় আছে ২০-৩০ মিনিট। আার এই সময়ে মোবাইল কতটুকুই বা চার্য হবে? চলুন এখন আপনাদের সাথে শেয়ার করি কিভাবে মোবাইলে অল্প সময়ে দ্রুত গতিতে চার্য দেয়া যায়।

প্রথমেই আপনাকে জেনে নিতে হবে আপনি যে ফোন ব্যবহার করেন সেই ফোনের চার্যার মোবাইলের জন্য উপযুক্ত চার্যার কিনা?

আমাদের মাঝে একটা ভুল ধারণা আছে আর তা হলো একই রকম চার্যিং পোর্ট হলেই মোবাইলে চার্য দেয়া যাবে। কিন্তু আসলে ধারনাটা ভুল। প্রতিটা মোবাইল কোম্পানী মোবাইলের মডেল অনুযায়ী উপযুক্ত চার্যার তৈরী করে থাকে। আর আপনি যদি আপনার মোবাইলের প্রকৃত চার্যার বাদে অন্য কোন মোবাইলের চার্যার ব্যবহার করেন সেক্ষেত্রে মোবাইল চার্য হবে ঠিক-ই কিন্তু সেটা প্রকৃত চার্যারের ১০ ভাগের ১ ভাগ মাত্র।

ছোট-খাট কিছু ট্রিকস

  • মোবাইল ফোন চার্য দেবার সময় মোবাইলের Blue tooth, 3g Data, wifi, hotspot, GPS সহ সকল কানেকশন অফ করে চার্য দিন।
  • সবচেয়ে ভালো বুদ্ধি হলো মোবাইল ফোনটি Airplane Mode এ চার্য দেয়া। আর ফলে মোবাইল ফোনটি যাবতীয় কর্ম থেকে বিরত থাকে। কোন প্রকার কল রিসিভ, আউট গোয়িং এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়না। ফলে মোবাইলের ব্যাটারি ড্রেইন হয়না বললেই চলে।
  • মোবাইল ফোন চার্য দেবার সময় ঘন ঘন চার্যির পার্সেন্টেজ না দেখা। এর ফলে মোবাএল চার্যিং ক্যাপাসিটি কিছুটা হলেও কমে যায়।
  • পারলে রাতের শোবার আগে মোবাইল ফোন-টি Airplane Mode এ রাখুন।

Portable Charger এর ব্যবহার

ইদানিং কালে কমবেশি সবাই পোর্টেবল চার্যার ব্যবহার করছে। পোর্টেবল চার্যার কিন্তু আপনার মোবাইলে দ্রুত চার্য করাতে সাহায্য করবে না। কিন্তু এটি আপনার মোবাইলে বিপদের সময় পাওয়ার ব্যাকাপ দেবে।

Power Saving Mode

ইদানিং অনেক মোবাইল ফোনে Power Saving Mode অপশন থাকছে। আর এই প্রযুক্তি সর্বপ্রথম ইউজারদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছ স্যামসাং। যদি আপনার মোবাইলে এই অপশনটি থাকে, তাহলে আপনি খুব সহজেই আপনার মোবাইল ফোনে বিপদের সময় ব্যাটারি ব্যাকাপ সংরক্ষন করতে পারবেন।

Screenshot_2

শেষ কথা:

শুধু মাত্র দামী মোবাইল ফোন গুলোতেই Quick charging System প্রযুক্তি আছে। আর যদি এর কোনটাই না হয়ে থাকে, তো আমি যে ট্রিকস গুলো শেয়ার করলাম সেগুলো প্রয়োগ করতে পারেন। কাজে দেবে।