স্মার্টফোনকে আরও স্মার্ট বানানোর উপায়

No Comments

1457237896
স্মার্ট ডিভাইসের এই যুগে এখন সবার হাতেই শোভা পাচ্ছে অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর নানা রকম ডিভাইস। অ্যান্ড্রয়েড সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হচ্ছে স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট কম্পিউটারে। এ ছাড়া সম্প্রতি স্মার্টঘড়িতেও অ্যান্ড্রয়েডের ব্যবহার বাড়ছে।
তবে জনপ্রিয়তার দৌড়ে স্মার্টঘড়ি ও ট্যাবলেটের চেয়ে অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর স্মার্টফোন এগিয়ে আছে। দিন দিন এর জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। এতে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন ফিচার। সহজ থেকে সহজতর হচ্ছে এর ব্যবহার। তবে এমন আরও কিছু বিষয় আছে যা জানা থাকলে আরও সহজ ও স্মার্টভাবে ব্যবহার করতে পারবেন আপনার অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর স্মার্টফোনটি।
১) অ্যান্ড্রয়েড ফোনটির অ্যাপগুলোতে অটোমেটিক আপডেট চালু রাখুন। এতে অ্যাপগুলোর নিত্যনতুন সুবিধা সহজেই পাবেন। অটোমেটিক আপডেট চালু করার জন্য ফোনে সেটিংস অপশনে ‘অটো আপডেট’ নামে একটি বক্স পাবেন। এখান থেকে চালু করে দিন।
২) আপনার মোবাইল স্ক্রিনকে আকর্ষণীয় দেখাতে গুগল অ্যাপস স্টোর থেকে বিভিন্ন ধরনের লক স্ক্রিন ও লঞ্চার নামিয়ে নিতে পারেন।
৩) উইজেট ব্যবহার করে খুব সহজেই সাজাতে পারবেন স্মার্টফোনের হোমস্ক্রিনটি। হোমস্ক্রিন সাজাতে উইজেট ব্যবহারের জন্য মেইন অ্যাপ লঞ্চার থেকে অপশনটি সিলেক্ট করে নিন। উইজেট ব্যবহার করে আপনার পছন্দের জিনিসগুলোকে হোমস্ক্রিনে নিয়ে আসতে পারবেন। এতে করে আপনি সহজেই আপনার স্মার্টফোনটিকে আপনার ইচ্ছানুযায়ী সাজাতে পারবেন।
৪) স্মার্টফোনের সেটিং মেন্যুতে গিয়ে পাওয়ার সেভিং মুড অন করে নিন। তাছাড়া, কিছু ফোনে আলট্রা পাওয়ার সেভিং মোডও থাকে। এটি চালু থাকলে আপনার স্মার্টফোনটির ব্যাটারি দীর্ঘক্ষণ কাজ করবে।
৫) স্মার্টফোনে অনেক অ্যাপ্লিকেশন থাকাতে ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যায়। তাই জরুরি প্রয়োজনে বা কোথাও বেড়াতে গেলে অতিরিক্ত একটি ব্যাটারি অথবা পোর্টেবল চার্জার সঙ্গে রাখা উচিত।
৬) গুগল ক্রোমে সাইন ইন করে রাখলে আপনার পছন্দের সাইটগুলি খুব সহজে বুকমার্ক করতে পারবেন। ব্যবহার করাও সহজ হবে।
৭) ক্যাটাগরি ভাগ করে বিভিন্ন ধরনের অ্যাপস ফোল্ডার করে রাখতে পারেন। তা হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় অ্যাপসগুলো ব্যবহার করতে পারবেন।
৮) অ্যান্ড্রয়েড ফোনে নির্মাতারা একটি কিবোর্ড দিয়ে দেন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই আপনার সেটি পছন্দ নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে আপনি পছন্দের ও সুবিধাজনক ভার্চুয়াল কিবোর্ড ব্যবহার করতে পারেন। অনলাইন থেকে কিনে নিন আপনার পছন্দসই কিবোর্ড।
৯) গুগল ক্রোমে গিয়ে ‘রিডিউস ডেটা ইউজেস’ অপশনটি চালু করে নিন। তাহলে অপ্রয়োজনীয় ইন্টারনেট ডেটা খরচ হবে না।
১০) গুগল অথন্টিকেটর ব্যবহারে দুই ধাপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। যদি আপনি জিমেইল ব্যবহার করতে চান তাহলে আপনাকে অ্যাপ থেকে সরবরাহকৃত একটি কোড বসাতে হবে, তারপর পাসওয়ার্ড দিতে হবে। কেউ চাইলেও অন্য কোনো কম্পিউটার থেকে আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না।

প্রথম থেকেই হ্যাকিং, রিভিউ, গ্যাজেট, সফটওয়্যার ইত্যাদি সম্পর্কে আমার ব্যাপক আগ্রহ আমায় ব্লগইন জগতে নিয়ে আসে। আমি সব সময় চেষ্টা করি আমার সামান্যতম জ্ঞানটুকু সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে। বর্তমানে আমি কম্পিউটার সায়েন্স এর উপর বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়াশোনা করছি। আমাকে ফেসবুকে পাবেন।

You might like also

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.